ঢাবির প্রতিষ্ঠাতা কে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Dhaka) প্রধান প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে একক কোনো ব্যক্তি নেই, কারণ এটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দীর্ঘদিনের একটি সম্মিলিত আন্দোলন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে।
তবে, এর প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় তিনজন ব্যক্তিত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনস্বীকৃত:
১. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ভূমিকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান এবং এর জন্য জমি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
২. লর্ড হার্ডিঞ্জ (Lord Hardinge)
ভূমিকা: তিনি ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা এবং সরকারি সিদ্ধান্তের ফলেই ১৯১২ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত নাথান কমিশন গঠিত হয়।
৩. স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা
ভূমিকা: তিনি ছিলেন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রক্রিয়ায় তিনিই ছিলেন প্রধান প্রভাবশালী ব্যক্তি, যিনি নাথান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত নাথান কমিটি (Nathan Committee)-এর প্রধান ছিলেন স্যার রবার্ট নাথান। এই কমিটির রিপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি ও কাঠামোর নীলনকশা তৈরি করেছিল।
অবশেষে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার যাত্রা শুরু করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন