ঠাকুরনগর প্রতিষ্ঠাতা কে
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।
ঠাকুরনগরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর-এর বংশধর শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)।
তবে, ঠাকুরনগর স্থানটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া ধর্মের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর এবং তাঁর পুত্র শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর-এর দেখানো পথ অনুসরণ করে।
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর (১৮১২–১৮৭৮): মতুয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং মূল প্রবক্তা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই এই জনপদটি গড়ে ওঠে।
শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর: তিনি ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাসঙ্ঘের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তবে, বর্তমান সময়ে যেটিকে আমরা ঠাকুরনগর নামে চিনি এবং যেখানে মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় ও ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত, সেই অঞ্চলটির জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং তার বিস্তারের ক্ষেত্রে শ্রী শ্রী প্রভাতরঞ্জন ঠাকুর (শ্রী শ্রী বড়মা)-এর অবদান অনস্বীকার্য।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন